Visit to get the latest news👎⏩www.deshbartabd24.com মমিনুল ইসলাম মুন নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) দুটি গুরুত্বপূর্ণ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে রদবদল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, এয়ারপোর্ট থানার ওসি মাছুমা মুস্তারীকে বোয়ালিয়া মডেল থানায় এবং বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি রবিউল ইসলামকে এয়ারপোর্ট থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ফয়জুল করিম স্বাক্ষরিত গত ২২ জুনের বদলি আদেশের পর মঙ্গলবার (২৩ জুন) উভয় কর্মকর্তা নিজ নিজ নতুন কর্মস্থলে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এই বদলির মাধ্যমে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বোয়ালিয়া মডেল থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ থানায় একজন নারী কর্মকর্তা ওসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। এর আগে মাছুমা মুস্তারী আরএমপির শাহমখদুম ও এয়ারপোর্ট থানার দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করে প্রশংসা অর্জন করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব পরিবর্তনের আগে উভয় কর্মকর্তাই নিজ নিজ থানায় পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষ করে বোয়ালিয়া মডেল থানার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে মাছুমা মুস্তারীর নিয়োগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন নগরবাসী ও সচেতন মহল। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তার নেতৃত্বে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে। বিশেষ করে নারী নাগরিকদের মধ্যে এ নিয়োগ নিয়ে আশাবাদ দেখা দিয়েছে। তাদের মতে, একজন নারী ওসি দায়িত্বে থাকায় পারিবারিক সহিংসতা, যৌন হয়রানি, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং বাল্যবিবাহের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে থানায় অভিযোগ জানাতে ভুক্তভোগীরা আরও স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপত্তাবোধ করবেন। এতে নারীসহ সাধারণ মানুষের পুলিশি সেবার প্রতি আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। নবনিযুক্ত বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি মাছুমা মুস্তারী বলেন, “পুলিশ জনগণের বন্ধু। আইন সবার জন্য সমান। জনগণের সহযোগিতা নিয়ে বোয়ালিয়া থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে কাজ করব। মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। নারী, শিশু ও অসহায় মানুষের অভিযোগ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।” এদিকে এয়ারপোর্ট থানার নবনিযুক্ত ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, “নতুন দায়িত্বকে আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করেছি। এয়ারপোর্ট থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।” নগরবাসীর প্রত্যাশা, দুই অভিজ্ঞ কর্মকর্তার নেতৃত্বে নিজ নিজ থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও সুসংহত হবে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি জনসেবামুখী পুলিশিং কার্যক্রম আরও বেগবান হবে। Post navigation বড়বিহানালী ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে ইউএনও সেলিম আহমেদ, জনসেবার মানোন্নয়নে নির্দেশনা অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে মুন্ডুমালা পৌর যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল