১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত শিবরামপুর কালীমাতা মন্দির, দেবোত্তর সম্পত্তি রক্ষায় পরিচালনা কমিটি গঠন মমিনুল ইসলাম মুন নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রায় শত বছর ধরে ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে শিবরামপুর কালীমাতা মন্দির। স্থানীয়দের দাবি, ১৯২০ সালে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠার সময় তৎকালীন জমিদার ললিত মোহন কালীমাতার নামে মন্দিরের ধর্মীয় কার্যক্রম ও হিন্দু সাধারণের ব্যবহারের জন্য ১৪ বিঘা জমি দান করেন। ওই জমি সিএস খতিয়ানে পচা মাহাতোর নামে হিন্দু সাধারণের পক্ষে লিপিবদ্ধ করা হয় বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। পরবর্তীতে আরএস খতিয়ানে পচা মাহাতোর ছেলে জঞ্জালী মাহাতো ও রোহিনী মাহাতোর নামে হিন্দু সাধারণের পক্ষে ওই জমির রেকর্ড করা হয়। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা দুজনই বর্তমানে মৃত্যুবরণ করেছেন। এরপর মন্দিরের সম্পত্তি ও ধর্মীয় কার্যক্রমের রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিচালনার জন্য স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি আকাশ মাহাতো এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন হেমন্ত কুমার মাহাতো। কমিটির অন্যান্য দায়িত্বশীলদের মধ্যে রয়েছেন—সহসভাপতি নিপেন্দ্র নাথ মাহাতো, সহসভাপতি সুজন মুন্ডা ও দুখু মুন্ডা। সহসাধারণ সম্পাদক নয়ন কুমার মাহাতো, কোষাধ্যক্ষ রঞ্জিত কুমার মাহাতো এবং সহকোষাধ্যক্ষ শ্রীনাথ রাজবংশী। সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. রিদয় কুমার মাহাতো এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক রাজকুমার মুন্ডা। দপ্তর সম্পাদক প্রদীপ কুমার মাহাতো (দিপু) ও সহদপ্তর সম্পাদক রিদয় মুন্ডা। প্রচার সম্পাদক হরিপদ মাহাতো এবং সহপ্রচার সম্পাদক খোশু মাহাতো। আইনবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন ডা. দয়াল চন্দ্র মাহাতো। কমিটির সভাপতি আকাশ মাহাতো ও সাধারণ সম্পাদক হেমন্ত কুমার মাহাতো জানান, মন্দিরের ঐতিহ্য ও ধর্মীয় পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখার পাশাপাশি মন্দিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে তারা গুরুত্ব দিচ্ছেন। মন্দিরের ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা, পূজা-পার্বণ আয়োজন এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় হিন্দু সাধারণের সহযোগিতায় কমিটি কাজ করে যাচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিনের পুরোনো এই কালীমাতা মন্দিরটি শুধু একটি ধর্মীয় উপাসনালয় নয়, বরং এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐতিহ্য ও সামাজিক সম্প্রীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই মন্দিরের ইতিহাস, পুরোনো খতিয়ান ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংরক্ষণের পাশাপাশি মন্দিরের সম্পত্তি যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। মন্দির সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রায় এক শতাব্দীর ঐতিহ্যবাহী এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে ভবিষ্যতে আরও সুশৃঙ্খলভাবে পূজা-পার্বণ ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। Post navigation ফ্যামিলি কার্ড নিয়োগে নাইমা খানের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তি নেই;| একাধিক দায়িত্ব সামলেও সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন তানোরের ইউএনও নাইমা খান রাজশাহীতে সড়কে নির্মাণসামগ্রী রাখায় ৫ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা