সার্ভেয়ার কবিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার সার্ভেয়ার আমিন কবির একজন দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত।অথচ কোনো লিখিত অভিযোগ বা সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ব্যতিত সার্ভেয়ার আমিন কবিরের বিরুদ্ধে অসত্য, মিথ্যা,বানোয়াট,উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ও মানহানিকর অপপ্রচার করা হচ্ছে।

সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে সার্ভেয়ার আমিন কবিরকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে,প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে- সরকারি চাকরি যেনো রূপকথার আলাদিনের চেরাগ যা ঘষলেই রাতারাতি সব অবৈধ সম্পত্তি বৈধ হয়ে যায়।গোদাগাড়ী পৌরসভায় এমনই এক অলৌকিক সাম্রাজ্য গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে পৌরসভার সার্ভেয়ার আমিন কবিরের বিরুদ্ধে।অথচ প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে কারো কোনো অভিযোগ বা সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য উপাত্ত্য নাই। এতে প্রতিয়মান হয় শুধুমাত্র সার্ভেয়ার আমিন কবিরকে সামাজিকভাবে হেয়ওপ্রতিপন্ন করতে উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে এসব মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।  এছাড়াও প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে,খাস জমি মাপে কারচুপি ফাইল গায়েব, সাধারণ মানুষকে ব্ল্যাকমেইলিং এবং সুদের কারবারের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে।কিন্ত্ত কার কাছে কবে কত টাকা সুদ নিয়েছেন তার কোনো তথ্য নাই,আবার সরকারি খাস জমির মালিক রাস্ট্র এখানে সার্ভেয়ারের তেমন কিছু করনীয় নাই,এছাড়াও ফাইল গায়েবের কথা বলা হয়েছে-সার্ভেয়ার কবে কার কি ফাইল গায়েব করেছেন সেই বিষয়ে  লিখিত অভিযোগ বা কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য নাই,ফলেএই সংবাদ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত বলেই প্রতিয়মান হয়। 

প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে- পৌর এলাকার অভিজাত ও ব্যস্ততম সিঅ্যান্ডবি মোড়ে নিজের বিলাসবহুল বাড়ি ও সম্পদের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন কবির। বাইরে শান্ত ও আমায়িক স্বভাবের হলেও ভেতরে তিনি গড়ে তুলেছেন শক্তিশালী এক সিন্ডিকেট।অথচ স্থানীয় সচেতন মহল ও নাগরিকগণ এসব বিষয়ে সার্ভেয়ার আমিন কবিরের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত্য দিতে পারেনি।ফলে তার বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ মিথ্য ও মনগড়া।

এছাড়াও সংবাদে আরো বলা হয়েছে- সরকারি নির্দিষ্ট ফি থাকলেও জমি মাপা ও সিরিয়াল পাওয়ার জন্য মোটা অঙ্কের বাড়তি টাকা হাঁকান আমিন কবির। এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী জানান, একই জমি চার বছরে ৬ থেকে ৭ বার পর্যন্ত মাপা হয়েছে এবং প্রতিবারই কবিরের ফিতে ভিন্ন ফল দিয়েছে। বিচার প্রক্রিয়ায় যে পক্ষের টাকার পাল্লা ভারী হয়েছে, অদৃশ্য শক্তিতে তাদের জমির পরিমাণ বেড়ে গেছে। আর টাকা দিতে না পারা পক্ষ নিজের জমি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছেন।অথচ এলাকায় খোঁজ নিয়ে এমন কোনো ভুক্তভোগীর হদিস পাওয়া যায়নি। আর জমি নিয়ে বিরোধ থাকলে যতবার অভিযোগ আসবে ততোবারই মাফজোক করতে হবে এটাই নিয়ম।ফলে সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন।

প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে -ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার বাড়ির সামনে রাস্তার পাশের সরকারি খাস জমি দখল করে তিনি একটি মার্কেট গড়ে তুলেছেন।অথচ নিয়মানুযায়ী রাস্তার পাশের যার জমি থাকবে সেই জমির সামনের জমি সেই ভোগদখল করবে।যদি সরকার কখানো সরকারি কাজে সেই জমি ব্যবহার করতে চাই করবে এখানে জবরদখলের প্রশ্ন তোলার সুযোগ নাই।আর এটা কি শুধু আমিন কবির করছে।পুরো রাস্তার দুপাশে তো মানুষ এভাবেই জমি ভোগদখল করছে। তাহলে শুধু সার্ভেয়ার আমিন কবিরের নাম আসছে কেন ? এটাও ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।

এদিকে প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে- নকশা অনুমোদন বা নতুন বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে খুঁত ধরে সাধারণ নাগরিকদের ব্ল্যাকমেইলিং করেন কবির। চাহিদামতো ঘুষ না দিলে কাজের ফাইল আটকে রাখা বা মূল রেকর্ডপত্র গায়েব করে দেওয়ার মতো দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা তৈরি করেন। এছাড়া ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে মূল মালিককে ডিঙিয়ে তৃতীয় পক্ষকে নামজারিতে সহযোগিতা করে। এখন প্রশ্ন হলো নকশার অনুমোদন কি সার্ভেয়ার দিতে পারে ? অনুমোদন দেয় পৌর কর্তৃপক্ষ। কার ফাইল কবে গায়েব করলো এমন লিখিত অভিযোগ কি কারো আছে ? নাই। আবার জমির নামজারি করে ভুমি অফিস এখানে সার্ভেয়ারকে জড়ানোর হেতু কি ? শুধুমাত্র তাকে সামাজিকভাবে হেয়ওপ্রতিপন্ন করতেই তার বিরুদ্ধে এসব সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। 

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে সার্ভেয়ার আমিন কবির সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,

আমরা সরকারি সার্ভেয়ার, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের জায়গায় মার্কেট করার কথা ভুল। আমরা সরকারি জায়গা রক্ষা করি। যারা অভিযোগ করছে তারা কাগজপত্র বোঝে না। রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের কিছু দুর্বল পয়েন্ট আছে, তারা সঠিকভাবে একুইজিশন করতে পারেনি।

​তিনি আরো বলেন,কারো কোনো অভিযোগ থাকলে পৌরসভার প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিক। আমারও অজান্তে কোনো অন্যায় থাকলে শাস্তি হোক। কাজের মধ্যে ভুলত্রুটি দেখলে জানালে সংশোধন করে নেব।কিন্ত্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ব্যতিত এসব মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রচার অত্যন্ত দুঃখজনক।

By চাঁদ২৪

মমিনুল ইসলাম মুন। সম্পাদক ও প্রকাশক। দেশবার্তা বিডি ২৪. কম। 📲 01740 93 58 70 বার্তাকক্ষ-01722 320196 Email : mominulinqilab@gmail.com deshbartabd86@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *