চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৬ সরকারি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা, সাময়িক বরখাস্ত ১ নিজস্ব প্রতিবেদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেয়ার মালিকানার অভিযোগে ছয়জন সরকারি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে অফিস চলাকালে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে আরও দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় গত ৫ জুলাই এ-সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের প্রজ্ঞাপন পাওয়ার ১০ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। 🌎Visit to get the latest news http://www.deshbartabd24.com প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিভাগীয় মামলার আওতায় আসা আট চিকিৎসকের মধ্যে ছয়জনের চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতাল—ম্যাক্স হাসপাতালে শেয়ার রয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণ মিলেছে। অভিযুক্তরা হলেন—চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. রাফিজা নাসরিন, সিনিয়র কনসালট্যান্ট (কার্ডিওলজি) ডা. মো. আব্দুল মজিদ, জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অর্থোপেডিক্স) ডা. মো. ইসমাইল হোসেন, সহকারী অধ্যাপক (শিশু) ডা. মো. রেজাউল করিম, সদর উপজেলার মহারাজপুর উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. মোসা. মুনিরা খাতুন এবং ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আজহারুল ইসলাম। এ ছাড়া অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগের অভিযোগে রুমালি খাতুন এবং সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় বেসরকারি সিটি হাসপাতালে কর্মরত থাকার অভিযোগে ডা. সামছুল আলম রাশেদের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। ডা. সামছুল আলম রাশেদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার আওতায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। কেন তাদের বিরুদ্ধে চাকরি থেকে বরখাস্তসহ উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, সে বিষয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে জেলা হাসপাতালের কয়েকজন চিকিৎসককে বদলি করা হলে তা নিয়ে জেলায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়। ওই বদলিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। পরে গত ২৯ জুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে জেলা প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশীদ জানান, সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে বেসরকারি হাসপাতালে শেয়ার মালিকানা ও দায়িত্ব পালনের অভিযোগে একাধিক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে থেকে বেসরকারি হাসপাতালের শেয়ার ক্রয়, পরিচালনা এবং একই সঙ্গে সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণের অভিযোগ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে তদন্ত কমিটি বিষয়টি অনুসন্ধান করে। তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত চিকিৎসকদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে। Post navigation মহসিনের ওষুধ দিয়ে মোহনপুর ডুবির বিলে মাছের মড়ক যাদুকাটা নদীতে অপ্রতিরোধ্য মাসুক সরদারের ড্রেজার মেশিন