ইউএনও ফয়সাল আহমেদের উদ্যোগে হালুয়াঘাটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান,, গোপীনগরে মশক নিধন, জমে থাকা পানি অপসারণ ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম 👨💼মমিনুল ইসলাম মুন নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদের উদ্যোগে শনিবার (১০ অক্টোবর) উপজেলার ৮ নম্বর নড়াইল ইউনিয়নের গোপীনগর গ্রামে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ডেঙ্গু বিস্তার রোধে মশক নিধন কার্যক্রম, জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং ডেঙ্গুর সম্ভাব্য হটস্পট চিহ্নিত করে তা নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পাশাপাশি বাড়িঘর, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করা হয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে ইউএনও ফয়সাল আহমেদের উদ্যোগ বর্ষা-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার বংশবিস্তার ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এ পরিস্থিতিতে শুধু চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে হালুয়াঘাট উপজেলা প্রশাসন। ইউএনও ফয়সাল আহমেদের উদ্যোগে গোপীনগর গ্রামে পরিচালিত এ কার্যক্রমের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে ডেঙ্গুর সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো পরিষ্কার করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাসাবাড়ির আঙিনা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা, টায়ার ও অন্যান্য স্থানে পানি জমে থাকতে পারে—এমন স্থান নিয়মিত পরীক্ষা করার বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করা হয়। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদের ব্যক্তিগত সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির ভেতরে ও বাইরে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এডিস মশার বংশবিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব উপজেলা প্রশাসনের অভিযানের অংশ হিসেবে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। এতে নিজ নিজ বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি কোথাও পানি জমে থাকতে দেখলে দ্রুত তা অপসারণ এবং সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থল নিয়মিত পরিষ্কার করার আহ্বান জানানো হয়। উপজেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগের লক্ষ্য হলো, ডেঙ্গু প্রতিরোধকে শুধু একটি নির্দিষ্ট দিনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করা। এ জন্য এলাকাভিত্তিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ডেঙ্গুমুক্ত পরিবেশ গড়তে প্রশাসনের উদ্যোগের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। সচেতন হই, পরিচ্ছন্ন থাকি—ডেঙ্গু প্রতিরোধ করি। Post navigation এসআরবি-৫-এর অভিযানে চারঘাটের প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণ মামলার আসামি রাজশাহীর চন্দ্রিমা থেকে গ্রেপ্তার ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি জোরদার করলেন পুঠিয়ার ইউএনও লিয়াকত সালমান