দেশবার্তা বিডি ২৪. কম ডেস্ক রিপোর্ট : সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল দুবাই পৌঁছেছে। তার বিরুদ্ধে জারি হওয়া ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাইয়ে আটকের পর এখন তাকে বাংলাদেশে ফেরত আনার আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি দুবাইয়ে অবস্থানকালে বেনজীর আহমেদকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আটক করে। পরে তাকে দুবাইয়ের আল আওয়ার কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। তার আটকের পর বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বেনজীর আহমেদের আইনজীবীরা দুবাই কোর্ট অব আপিলে তার জামিন আবেদন করেন। একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া প্রতিনিধি দল আদালতে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার আবেদন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেয়। আদালত উভয় পক্ষের আবেদন গ্রহণ করলেও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। আদালত অভিযোগ, মামলার নথি, ইন্টারপোলের রেড নোটিশ এবং অন্যান্য আইনি বিষয় যাচাই-বাছাই করছে। এ প্রক্রিয়া শেষ হতে ১০ থেকে ১৫ দিন বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে ইন্টারপোলের জাতীয় শাখা (এনসিবি), পুলিশ সদর দপ্তর এবং গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা রয়েছেন। তারা দুবাইয়ের আদালত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে থাকা বিভিন্ন মামলা ও দুদকের নথিপত্র জমা দিয়েছেন। অন্যদিকে, বেনজীর আহমেদের আইনজীবীরা তার জামিনের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আদালত এখনো জামিনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। আইন সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দুবাইয়ের আদালত যদি প্রত্যর্পণের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেয়, তারপরও তাকে সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশে পাঠানো হবে না। আদালতের রায়ের পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত অনুমোদনের পরই প্রত্যর্পণ কার্যকর হবে। বর্তমানে বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের আল আওয়ার কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। তার জামিন ও প্রত্যর্পণ বিষয়ে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই আদালতের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। Post navigation আদাবরে ছিনতাইকারী ধরতে গিয়ে ওসি-এসআইকে কুপিয়ে জখম, গুলিবিদ্ধ ২ এসআই থেকে পুলিশ পরিদর্শক পদে বিভাগীয় পরীক্ষা উপলক্ষে রাজশাহীতে ব্রিফিং অনুষ্ঠিত