সুনামগঞ্জ যুবলীগ নেতা সৈকত সহ ৪৮ জনের নামে মামলা

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : 

সুনামগঞ্জের মধ্যনগরে নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের মিছিলের অভিযোগে সাংবাদিক ও যুবলীগ নেতা শওকত হাসান সওকত সহ ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলায় আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

তবে মামলায় অভিযুক্ত শওকত হাসান সৈকতের দাবি, ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলেও উপস্থিত ছিলেন না।

সোমবার (৩১ আগস্ট) মধ্যনগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শাহাজাহান মিয়া। তিনি উপজেলার কার্তিকপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে।

মামলায় অভিযুক্ত শওকত হাসান সৈকত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের রতনশ্রী গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে। তিনি দৈনিক কালবেলা ও আরটিভির তাহিরপুর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। 

এছাড়াও তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি পদে রয়েছে।

মামলায় শওকত হাসান সৈকত ছাড়াও এখলাছুর রহমান তারা মিয়া, আজিজুল হক, এমরান হোসেন বিপক, রাজন মিয়া, রাজন চন্দ্র, রোমান মিয়া, সাজিদ মিয়া, সুজন মিয়া, জুয়েল আখঞ্জী, সুজিত, শাহিন মিয়া, ইমন মিয়া, জিয়া উদ্দিন, মহিবুর রহমান, নজির হোসেন, আল আমিন, মুশাহিদ হোসেন রানু, হাসান মিয়া, জাবের আহমদ, শামীম আহমদ, সেলিম ভূঁইয়া, নজরুল ইসলাম, শাকিল আহমদ লিজান, জুনায়েদ মিয়া, কাদের পাশা, আলী হোসেন, শাহজাহান চৌধুরী, জাহাঙ্গীর মিয়া, ইকবাল হোসেন, সোহাগ মিয়া, রাসেল, ফারুক মিয়া, কবির মিয়া, সাজ্জাত, শাখাওয়াত হোসেন শিপন, আঙ্গুর মিয়া, এমরুল হাসান, মিয়া হোসেন, লিমন মিয়া, লিক্সন মিয়া, জাহেদ মিয়া, জোটন রায় জনি, আব্দুল আমিন, জিলানী, জাহেদ মিয়া, রাসেল আহমেদ, কবির মিয়া ও সজিবের নাম রয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে মধ্যনগর উপজেলার উত্তর বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের বাঙালভিটা এলাকায় আওয়ামী লীগের মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ওই মিছিলের ঘটনায় ৪৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

তবে মামলায় সাংবাদিক শওকত হাসান সৈকতকে আসামি করায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। সাংবাদিকদের দাবি, ঘটনার সঙ্গে সৈকতের কোনো সম্পৃক্ততা না থাকলে তাকে মামলায় আসামি করা অনাকাঙ্ক্ষিত। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করার দাবি জানিয়েছেন।

সাংবাদিক শওকত হাসান সৈকত বলেন, ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। আমি ঘটনাস্থলেও ছিলাম না। অন্য থানার একটি ঘটনায় আমাকে আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে বলে আমি মনে করি। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত বিষয়টি উদঘাটনের দাবি জানাই।

এ বিষয়ে মধ্যনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাহাবুদ্দিন শাহিন বলেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখব। সাংবাদিক শওকত হাসানের সম্পৃক্ততা না থাকলে তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তাকে মামলা থেকে বাদ দেওয়া হবে।

By moon24

মমিনুল ইসলাম মুন। সম্পাদক ও প্রকাশক।Facebook : Journalist Moon Tanore দেশবার্তা বিডি ২৪. কম। 📲 01740 93 58 70 বার্তাকক্ষ-01722 320196 Email : mominulinqilab@gmail.com deshbartabd86@gmail.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *