পাঁচন্দরে চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রে বিএনপি নেতা মোমিনুল হক,, ; গণসংযোগ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় গণসংযোগে ব্যস্ত সময় পার করছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোমিনুল হক মোমিন। ছবি, দেশবার্তা বিডি২৪. কম। মমিনুল ইসলাম মুন নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে। এরই মধ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলীয় সাংগঠনিক ভূমিকা, গণসংযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তার কারণে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন পাঁচন্দর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মোমিনুল হক (মোমিন)। দীর্ঘ ২৮ বছর একটানা পাঁচন্দর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করা মোমিনুল হক বর্তমানে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ, কুশল বিনিময় ও মতবিনিময় করছেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তাদের সমস্যা, চাহিদা ও প্রত্যাশার কথা শুনছেন এবং চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মোমিনুল হক দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ফলে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে তাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সক্রিয় চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়তার দিক থেকেও মোমিনুল হক আলোচনায় রয়েছেন। প্রকাশ্য ফেসবুক প্রোফাইল ও নির্বাচনীসংক্রান্ত পোস্ট পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, তার বিভিন্ন গণসংযোগ, মতবিনিময় ও নির্বাচনী প্রস্তুতিসংক্রান্ত পোস্টে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার রয়েছে। পাঁচন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য অন্য প্রার্থীদের প্রকাশ্য ফেসবুক কার্যক্রমের সঙ্গে তুলনা করলেও মোমিনুল হকের পোস্টে দৃশ্যমান প্রতিক্রিয়া তুলনামূলক বেশি দেখা যাচ্ছে বলে তার সমর্থকদের দাবি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রতিক্রিয়াকে সরাসরি ভোটারদের চূড়ান্ত সমর্থনের প্রতিফলন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, নির্বাচনের প্রকৃত চিত্র নির্ধারিত হবে ভোটারদের সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে। স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, বর্তমানে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও জনসম্পৃক্ততার গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে। সে বিবেচনায় মোমিনুল হকের অনলাইন উপস্থিতি এবং বিভিন্ন পোস্টে মানুষের প্রতিক্রিয়া তার জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করেছে। নিয়মিত গণসংযোগ আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে পাঁচন্দর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও ওয়ার্ডে নিয়মিত গণসংযোগ করছেন মোমিনুল হক। পথসভা, মতবিনিময়, সামাজিক অনুষ্ঠান ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার চেষ্টা করছেন। গণসংযোগকালে তিনি প্রবীণ, কৃষক, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, তরুণ, নারীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন। এলাকার রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, মাদক ও বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা নিয়ে তাদের মতামত শুনছেন। তার সমর্থকদের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখার কারণে মোমিনুল হক চেয়ারম্যান পদে একজন শক্তিশালী সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। ‘জবাবদিহিতার মাধ্যমে বাসযোগ্য ইউনিয়ন গড়তে চাই’ চেয়ারম্যান পদে নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে মো. মোমিনুল হক বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমি মানুষের পাশে থেকে কাজ করার চেষ্টা করেছি। মানুষের সুখে-দুঃখে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছি। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণ যদি আমাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করেন, তাহলে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন গড়ে তুলতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব। তিনি বলেন, “শিক্ষা, কৃষি, যোগাযোগ, স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা ও যুবসমাজের কর্মসংস্থানের বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষের কথা শোনা এবং তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাই হবে আমার অন্যতম লক্ষ্য।” মোমিনুল হক আরও বলেন, “চেয়ারম্যানের পদ কোনো ব্যক্তিগত মর্যাদা বা ক্ষমতা ভোগের বিষয় নয়; এটি জনগণের সেবা করার একটি বড় দায়িত্ব। দলমত নির্বিশেষে পাঁচন্দর ইউনিয়নের সব মানুষের সহযোগিতা নিয়ে একটি সুন্দর, স্বচ্ছ ও বাসযোগ্য ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চাই। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত পরিবেশ তৈরি করাই আমার লক্ষ্য।” তিনি পাঁচন্দর ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করেন। নির্বাচনী মাঠে বাড়ছে তৎপরতা স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের তৎপরতা ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে। প্রার্থীরা নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় মোমিনুল হকের নিয়মিত গণসংযোগ ও জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ড তাকে স্থানীয় রাজনৈতিক আলোচনায় নিয়ে এসেছে। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে কার অবস্থান কতটা শক্তিশালী, তা নির্ভর করবে ভোটারদের মনোভাব, প্রার্থীদের সাংগঠনিক প্রস্তুতি, দলীয় সিদ্ধান্ত এবং নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশের ওপর। এদিকে মোমিনুল হকের অনুসারীরা বলছেন, দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এবং নিয়মিত গণসংযোগই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। তারা মনে করছেন, সুষ্ঠু ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হলে পাঁচন্দর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মোমিনুল হককে ঘিরে উল্লেখযোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হতে পারে। Post navigation পুঠিয়ায় ইউএনও লিয়াকত সালমানের সভাপতিত্বে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস পালিত, ; প্রবীণদের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ কবি মিঠুন কুমার ঘোষকে সাহিত্য সম্মাননা