কাজিপুরে ২২ শতক জমির ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ, পাওনা টাকার দাবি অভিযুক্তের অঞ্জনা চৌধুরীর নিজস্ব প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় জমি থেকে জোর করে ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের একটি পরিবারের বিরুদ্ধে। উপজেলার সোনামুখী গ্রামে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রেজাউল করিমের ২২ শতক জমির ধান কেটে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে অভিযুক্ত পরিবারের দাবি, জমির মালিকের ভাইয়ের কাছে তাঁদের টাকা পাওনা রয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সোনামুখী গ্রামের মৃত আনিসুর রহমানের ছেলে রেজাউল করিমের ২২ শতক জমিতে ধান আবাদ করা হয়েছিল। সম্প্রতি একই গ্রামের মৃত রেফাজ মুন্সির ছেলে নুরুল ইসলাম এবং তাঁর ছেলেরা আলামিন মিয়া, আল মাহমুদ ও আলমাস আলীর বিরুদ্ধে ওই জমি থেকে জোর করে ধান কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন রেজাউল করিম। ভুক্তভোগী রেজাউল করিম বলেন, “আমার ২২ শতক জমির ধান নুরুল ইসলাম ও তাঁর লোকজন জোর করে কেটে নিয়ে গেছেন। আমি একা, আমার কোনো ছেলে সন্তান নেই। এ সুযোগে তাঁরা জোর করে আমার জমির ধান নিয়ে গেছেন।” অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে নুরুল ইসলামের ছেলে আলামিন মিয়া বলেন, “রেজাউলের ভাই আকবর আলীর কাছে আমরা টাকা পাই। অনেক দিন ধরে তাঁরা টাকা দিচ্ছেন না। বাধ্য হয়ে তাঁদের জমি থেকে ধান কেটে নিয়েছি।” তবে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ থাকলেও সেই বিরোধের জেরে অন্য ব্যক্তির জমির ফসল কেটে নেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাঁদের মতে, টাকা পাওনা থাকলে তা আদায়ের জন্য আইনসম্মত পথ অনুসরণ করা উচিত। অন্যের জমির ফসল কেটে নেওয়ার অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রেজাউল করিম ন্যায়বিচার পাবেন কি না, তা নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে। জমির মালিকের অভিযোগ ও অভিযুক্ত পরিবারের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করে আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। Post navigation শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সবার আগে, ফাঁকিবাজি ও দুর্নীতি রোধে শিক্ষকদের ভূমিকা জরুরি: এমপি মিলন