বিএনপি মতাদর্শী সরিয়ে আওয়ামী মতাদর্শী
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মোহাম্মদ নাহিদ আলী সহকারী মেকানিক ইলেকট্রিক পদে কর্মরত আছেন।২০০৬ সাল থেকে তিনি রাজ-২০৮৮ ক্রীড়া সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিলেন। এবং পরে অর্থ সম্পাদক পরে আবারও সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সর্বশেষ সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে ২০৮৮ শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করেছেন। ২০৮৮ হেড অফিসে হোস্টিং ছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি ২০ বছর নির্যাতিত বিভিন্ন জোনে অহেতুক তাকে বার বার বদলি করা হয় এবং বিএনপি জামায়াত বলে পদোন্নতি দেওয়ার পর পদোন্নতি হিলডাপও করে দেয়।তার জুনিয়রদেরকে আওয়ামী লীগের সময়ে পদোন্নতি দেয়া হয়। পদোন্নতি তাকে দেয় না কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আগে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের, নুরুজ্জামান, আপেল, মজিবুর তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়। কিন্তু ৫ আগষ্টের পরে তারা আবারো বিএনপি লোকের সঙ্গে জড়িত হয় এবং তারা বরেন্দ্রের শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি-সম্পাদক সাজে।শ্রমিক দলের মহানগর এবং রাজ-২৮৮ এর সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হওয়ার পরেও তাকে ধামইরহাট জোনে বদলি করে। অথচ তিনি ২১ বছর ধরে আওয়ামী লীগের সময়ে অনেক বার বদলি করা হয়েছে। তারা সমস্ত আওয়ামী লীগের কর্মী বিএনপির লোকজনের তারা বদলি করছে এবং মোটা অংকের টাকায় আপেল ও নুরুজ্জামান এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত মজিবর নিজেকে সভাপতি দাবী করে তার কোন কাগজপত্র নাই। এবং এখানে কোন সিবিএ নেই তারা মারডাঙ্গা হিসেবে পরিচিত। বিএনপি’র লোকজনকে বদলি করে দিচ্ছে আর আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে আসছে। এর প্রতিকার চাইলে তাকে বদলি করা হয়েছে। নাহিদ ইসলাম তার বদলির
প্রতিবাদ করে তাকে দ্রুত যে জায়গায় ছিলেন সেই জায়গায় ওয়ার্কশপ রাজশাহী রিজিয়ন বদলী করা হোক।মহানগর শ্রমিক দলের প্রতিটি নেতা তাদের বোর্ড মেম্বার সমাপ্ত স্যার এতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বলে জানান নাহিদ আলী।
রাজশাহীর ইজনে মইনুদ্দিন নামে যে ইলেকট্রিশনকে বদলি করা হয়েছে পুঠিয়া থেকে আওয়ামী লীগের সময়ে হেড অফিসে ওয়ার্কশপে ১১ বছর ছিল মাত্র ৮ মাস আগে গিয়েছে পুঠিয়া, অথচ বিএনপি মতাদর্শী নাহিদকে সরিয়ে সে আবার একই জায়গায় এসেছে। আর বিএনপির লোক হয়েও হেড অফিস থেকে নাহিদকে ধামুইরহাট বদলি হয়েছে।কিন্ত্ত আওয়ামী লীগ করার পরেও তাকে আবার ওয়ার্কশপের দায়িত্ব দিলো মজিবুর, আপেল ও নুরুজ্জামান।
নাহিদের দাবি বিএনপি নেতা বদলী করে আওয়ামী লীগের নেতাকে পুর্নবাসন করা হলো। আওয়ামী লীগের সময় ১২ বছর ছিলো মঈনুদ্দিন ওযাকসপে রাজশাহী রিজিওনে, আবার ১১ মাস পড়ে বিএনপি নেতা হাত ধরে বিএনপি নেতা হটিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা মঈনুদ্দিন বসলো রাজশাহী রিজিয়নে ওয়ার্কসপে।