সম্মতি ছাড়াই রাস্তা খনন করে টানেল স্থাপনের অভিযোগ, থানায় লিখিত আবেদন
ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের চককালু মৌজায় সম্মতি ছাড়াই রাস্তা খনন করে পানিনিষ্কাশনের টানেল স্থাপনের মাধ্যমে জমির ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ তুলে ধামইরহাট থানায় লিখিত আবেদন করেছেন আরেদা বেগম।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গত ২৬ জুলাই দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে অভিযুক্তরা তার সম্মতি ছাড়াই রাস্তা খনন করে তার জমির ওপর দিয়ে পানিনিষ্কাশনের টানেল স্থাপন করেন। এর ফলে আশপাশের পানি ওই টানেল দিয়ে তার জমির ওপর প্রবাহিত হয়ে জমির ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
অভিযোগকারী আরেদা বেগম বলেন, রাস্তা খনন করে টানেল স্থাপনের জন্য আমি কাউকেই কোনো অনুমতি দিইনি। আমার সম্মতি ছাড়াই টানেল বসানো হয়েছে। এতে আশপাশের পানি আমার জমির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে জমির ক্ষতি করছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পরদিন সকালে তিনি টানেলটির মুখ বন্ধ করে দেন। তবে গত ৪ আগস্ট গভীর রাতে অজ্ঞাত ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা সেটি পুনরায় খুলে দেয়। পরদিন সকালে বিষয়টি তার নজরে আসে। এতে জমির আরও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, বর্তমানে যেখানে পানিনিষ্কাশনের টানেলটি রয়েছে, পূর্বে সেখানে কোনো টানেল ছিল না। তার দাবি, আগের টানেলটি অন্য স্থানে ছিল এবং পরে রাস্তা খনন করে সেটি বর্তমান স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে।
অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে মো. ছাইফুল ইসলাম (৩২), পিতা: মো. মজিবুল ইসলাম মো. নুরুল ইসলাম (৬৫), পিতা: মৃত আব্দুল কাদের এবং মো. সাউদ সরকার (৩৭), পিতা: বাচ্চু সরকারকে। তারা সবাই ধামইরহাট উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের চককালু গ্রামের বাসিন্দা।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, অভিযোগকারীর স্বামীর সম্মতি নিয়েই রাস্তা খনন করে পানিনিষ্কাশনের টানেল স্থাপন করা হয়েছে। তবে এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন অভিযোগকারী আরেদা বেগম। তিনি বলেন, আমি বা আমার স্বামী কাউকেই এ ধরনের কোনো অনুমতি দিইনি। অভিযুক্তদের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য।
এ বিষয়ে ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, লিখিত অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মমিনুল ইসলাম মুন।
মোবাইল ০১৭৪০৯৩৫৮৭০