লাথি মেরে মায়ের দাঁত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক ছেলে গ্রেপ্তার
দেশবার্তা বিডি ২৪. কম ডেস্ক :
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় বৃদ্ধ মায়ের মুখে লাথি মেরে দাঁত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৮ জুন) সকালে উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাতে পারিবারিক বিরোধের জেরে অভিযুক্ত মনিরুল ইসলাম তার মা আনোয়ারা বেগমের (৭২) মুখে লাথি মারেন। এতে তার সামনের একটি দাঁত ভেঙে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জিয়াউর রহমান জানান, আহত আনোয়ারা বেগম বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আঘাতের কারণে তার একটি দাঁত ভেঙে ভেতরে ঢুকে গেছে। তবে বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত।
এ ঘটনায় শনিবার আনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে ছেলে মনিরুল ইসলাম ও পুত্রবধূ ফেরদৌসী ইসলাম (ঝর্ণা)-এর বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে এবং রোববার সকালে মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মনিরুল ইসলাম উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক। একই বাড়িতে বসবাসের সুযোগে তিনি ও তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে বৃদ্ধ মায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
শ্যামনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. পিয়ার উদ্দিন বলেন, “মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
মামলার এজাহারে আনোয়ারা বেগম উল্লেখ করেন, বড় ছেলে মনিরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। শুক্রবার রাতে পারিবারিক একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে তার মুখে লাথি মারলে একটি দাঁত ভেঙে যায় এবং তিনি গুরুতর আহত হন।
সূত্র: প্রথম আলো
সম্পাদক ও প্রকাশক মমিনুল ইসলাম মুন।
মোবাইল ০১৭৪০৯৩৫৮৭০