যাদুকাটা নদীতে অপ্রতিরোধ্য মাসুক সরদারের ড্রেজার মেশিন
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :
প্রকৃতি পরিবেশ প্রতিবেশ জীববৈচিত্র্য ধ্বংস করে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে ড্রেজার চালিয়ে ও শান্তিপুর নদীর বালু লুটের এক ঘোষিত সম্রাট এই মাসুক সরদার। তাকে যেন কেউই থামাতে পারছে না। যেখানে স্থানীয় সংসদ সদস্য নিজেই হুশিয়ার করেছেন বালু লুটকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য সেখানে অপ্রতিরোধ্য মাসুক সরদার।

এতে করে গত কয়েক বছরে কয়েক কোটি টাকার মালিক হয়েছে। বিগত সরকারের আমলে ছিলেন যুবলীগ নেতা। সে কারনে ক্ষমতার দাপটে লুটপাট সেই সময় থেকেই করেছে যাদুকাটা নদীর বালু। বর্তমান সময়ের একেই ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে তার বালু। এর ভাগ দিচ্ছে এক বিএনপি নেতা ও স্থানীয় এক সাংবাদিককে,যার ফলে তারা তাকে আড়াল করছে নানান ভাবে। সে কারনে থেকে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে।
🌎Visit to get the latest news
http://www.deshbartabd24.com
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,ওই বালু খেকো মাসুক সরদার কে সহায়তা করছে তাহিরপুর সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক জুনাব আলীর ছোট ভাই যুবদল নেতা আলী আহমদ। যে কিনা বিগত আ,লীগ সরকারের আমলেও ফসল রক্ষা বাঁধ,সড়ক, সরকারী ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করেছেন লোক মুখে শুনা যায়।
তাট শেল্টারে থেকে মাসুক সরদার দীর্ঘদিন ধরে যাদুকাটা নদীর পাড়া কাটা থেকে শুরু করে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে যাদুকাটা নদীর আধিপত্য বিস্তার করে যাচ্ছে।
স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ,ডেভিল মাসুক সর্দার" যুবলীগ নেতা" তার নেতৃত্বেই যাদুকাটা নদীর লাউড়েরগড়- ডালারপাড় এলাকায় জামালের চড়ে প্রতিদিন রাতে ৩ সেট ড্রেজার মেশিন দিয়ে চলে বালু লু-টের মহোৎসব। তার পেছনে রয়েছে অদৃশ্য এক শক্তি যার শক্তিতেই ডে-ভিল হান্ডের নেতা হয়েও এখনো ক্ষমতার দা-পটে প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আইনকে তুয়াক্কা না করেই যাদুকাটা নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের একচ্ছত্র আ-ধিপত্য বিস্তার করে যাচ্ছে। কি এমন শক্তি আছে তার পেছনে যাদুকাটা নদীতে সব কিছু বন্ধ থাকলেও বন্ধ থাকেনা ডে-ভিড মাসুকের ড্রেজার মেশিন দিয়ে অ-বৈধভাবে বালু উত্তোল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নদী পাড়ের লোকজন জানান,তাহিরপুর উপজেলার রয়েছে মাসুকের এক দরবেশ বাবা আর স্থানীয় এক সাংবাদিক। তাদের কারনে ক্ষমতার দাপটেই দেখিয়েই যাচ্ছে। আর যাদুকাটা নদীর পাড় কাটা থেকে শুরু করে অ-বৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করেছে
সম্পাদক ও প্রকাশক মমিনুল ইসলাম মুন।
মোবাইল ০১৭৪০৯৩৫৮৭০