মান্ডা বড় পাড়া সুদখোড় জামিল হোসেন বাবুর বিরুদ্ধে মাদক ও মেয়েদের সাথে প্রতারণা অভিযোগ
প্রিয়া চৌধুরী, ঢাকা :
রাজধানীর মুগদা থানা আওতায় মান্ডা ৭২ নং ওয়ার্ড বড় পারা জামিল হোসেন বাবু এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চওড়া সুদের ব্যবসা এবং সেই সাথে মাদক ব্যবসা করে আসছে তার ভাই জনির সহযোগীতায় জনি এক জন বড় মাদক ব্যবসায়ী স্থানীয় সূত্রে জানা যায় জামিল হোসেন “বাবু তৎকালীন আওয়ামী লীগকে কিছু নেতাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে এলাকায় সুদের টাকার আড়ালে যুব সমাজের কাছে মাদক ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে বাবুর বিরুদ্ধে রয়েছে মুগদা থানায় কয়েকটি মামলা বড় পাড়ার গলিতে তার একটি কিস্তির দোকান রয়েছে যাকে বলা হয় সুদে উপর
টাকা দেয়া তার কাছ থেকে কেউ সুদে উপর টাকা নিলে সময় মত
সুদের টাকা দিতে না পাড়লে সন্ধ্যার পর বাবুর দোকানে ডেকে নিয়ে অগদ্র ভাষায় গালাগাল ও মারধর করা হয় যদি কোন মহিলা তার থেকে সুদে উপর টাকা নিত
দিতে দেরি হলে মহিলাদেরকে কুপ্রস্তাব দিতো তার কুপ্রস্তাবে রাজি না হলে মহিলাদের স্বামী কে ডেকে নিয়ে খারাপ ভাষার কথা বলে মারধর করা হতো
তার দেয়া কুপ্রস্তাবে কত মহিলা বাবুর লালসার শিকার হয়েছেন
স্থানীয় বাসিন্দারা আরো জানায় বাবু প্রথম স্ত্রী কে রেখে একাধিক বিয়ে করেছেন তবে পরে বিয়ে করা কোনো স্ত্রী ঠিক মতো সংসার
করে নাই প্রথম স্ত্রী ও শালাকে
দিয়ে করানো হতো মাদক ব্যবসা আওয়ামী লীগের কিছু নেতার ছত্রছায়া মান্ডা বড় পাড়ায়
মাদক ও চড়া সুদে নেটওয়ার্ক গড়ে
তুলেছেন ৫ই আগস্ট এর আগে তার কর্মকাণ্ড আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করে।
এলাকাবাসী চঞ্চালক তথ্য আরও বেরিয়ে আসে বাবুর বিরুদ্ধে মেয়েদের সাথে প্রতারণা করার অভিযোগ বিভিন্ন মেয়েদের সাথে মিষ্টি ও মন ভুলানো কথা বলে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করেন বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করেন এবং বাবু শুরু থেকে মেয়েদের সাথে মিথ্যা কথা বলে
আসতো আমি বড় একা আমার অনেক কষ্ট বাবা মা আমাকে তাদের পছন্দ মতো বিয়ে করিয়েছে কিন্তু আমার স্ত্রীর চরিত্র ভালো ছিল না আমার যত কষ্টের উপার্জন করা টাকা পয়সা চুরি করে নিয়ে অন্য ছেলের সাথে পালিয়ে গেছে তাই তাকে ছেড়ে দিয়েছি জামিল হোসেন বাবু মেয়েদের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেল নিজের নোংরা উদ্দেশ্য সফল করতো কিছু দিন চলে গেল পারিবারিক
সমস্যা কথা বলে মেয়েদের
কাছে থেকে সরে আসতো
৫ ই আগস্টের পর।পালিয়ে ছিল যেহেতু তিনি আওয়ামী লীগ দলের একজন কর্মী ছিলেন কিছু দিন
হলো পুনরায় এলাকায় প্রবেশ করে
কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির ছদ্রছায়া
এসে শুরু করে তার অবৈধ মাদক ব্যবসা ও সুদ ব্যবসার সিন্ডিকেট
জামিন হোসেন বাবুর সাথে নতুন করে ফেসবুকে পরিচয় হয় ভুক্তভোগী কেয়ার সাথে গড়ে তুলেন প্রেমের সম্পর্ক বাবু সেই একই্ রকম কথা। বলেছে যা পূর্বে অনেক মেয়েদের সাথে বলে এসেছে মিষ্টি ও মন ভুলানো সুরালো কন্ঠে কান্না ভেজায় কথায় গলে গিয়ে একি ভুল করেন ভুক্তভোগী কেয়া মিথ্যা বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেমের ফাঁদ ফেলে তার কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে মোটা অংকের টাকা কেয়া বাবুকে
ফোন করলে তার প্রথম স্ত্রী ফোন
রিসিভ করে স্ত্রীর মুখ থেকে সবকিছু শুনে সে অবাক হয়ে যান তার সাথে এতদিন বাবু প্রতারণা করে আসছে সব কিছু বুঝতে পারে তাই ভুক্তভোগী কেয়া বাবুর জীবন থেকে সরে আসে এবং কথা বলা বন্ধ করে দেয় বাবুর কথা বলতে চাই চাইলে ভুক্তভোগী কেয়া তার সাথে কথা বলতে চায় না তাই জামিল হোসেন বাবু ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ফোনে অগোত্র বাসায় গালাগাল এবং মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে ভুক্তভোগী কেয়া খুবই ভয় ও আতঙ্ক রয়েছে।
লোক লজ্জার ভয়ে কাউকে কিছু
বলতে পারছেন এরা নর্দমার কীট সমাজের মা বোনদের জন্য বিপজ্জনক এদেরকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।
সম্পাদক ও প্রকাশক মমিনুল ইসলাম মুন।
মোবাইল ০১৭৪০৯৩৫৮৭০