বেসরকারি হাসপাতালে শেয়ার: রামেকের ৬ শিক্ষকসহ আরও ১৬ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেয়ার থাকার অভিযোগে আরও ১৬ সরকারি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। নতুন করে অভিযুক্তদের মধ্যে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) ও হাসপাতালের ছয়জন শিক্ষক এবং একজন মেডিকেল অফিসার রয়েছেন। এ নিয়ে একই অভিযোগে মোট ২২ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হলো।
বুধবার (৮ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। একই দিনে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।
🌎Visit to get the latest news
http://www.deshbartabd24.com
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত চিকিৎসকেরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থিত ম্যাক্স হাসপাতালের শেয়ারহোল্ডার। সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে বেসরকারি হাসপাতালের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকা এবং সরকারি হাসপাতালের রোগী সেখানে নেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নতুন করে বিভাগীয় মামলার আওতায় আসা রামেকের চিকিৎসকেরা হলেন—রেডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এএইচএম তোহরুল ইসলাম, হেমাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এম মুর্শেদ জামান মিঞা, নেফ্রোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সিদ্দিকুর রহমান, নিউরোমেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. রেজা নাসিম রনি, চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রোকশানা আমিন, অর্থোপেডিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. এ এস এম আব্দুল্লাহ এবং নাক-কান-গলা বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আল-যোবায়ের।
এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের পাঁচ চিকিৎসক, রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয়ের একজন, নাচোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন, ঢাকা ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজির একজন এবং জাতীয় নাক-কান-গলা ইনস্টিটিউটের একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।
এর আগে গত ৫ জুলাই একই অভিযোগে আরও ছয় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। পাশাপাশি কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ও অফিস চলাকালে বেসরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের অভিযোগে আরও দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে পৃথক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তাঁদের একজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী এসব বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্তদের ১০ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগের সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মমিনুল ইসলাম মুন।
মোবাইল ০১৭৪০৯৩৫৮৭০