বড়াইগ্রামে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে বিয়ের প্রস্তাব: গ্রাম্য সালিশে জুতাপেটার পর মুয়াজ্জিন কারাগারে
দেশবার্তা বিডি ২৪. কম ডেস্ক :
নাটোরের বড়াইগ্রামে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার ঘটনায় গ্রাম্য সালিশে জুতাপেটা ও জরিমানার শিকার হওয়া এক মুয়াজ্জিনকে এবার শ্লীলতাহানির মামলায় গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
রোববার আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তার হওয়া আবুল কালাম আজাদ উপজেলার চান্দাই ইউনিয়নের ভান্ডারদহ গ্রামের মৃত আকবর আলী প্রামাণিকের ছেলে। তিনি স্থানীয় ভান্ডারদহ মধ্যপাড়া জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শিশুদের কোরআন শিক্ষা দিতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি আবুল কালাম আজাদ পঞ্চম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত এক শিক্ষার্থীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তাকে ৫০টি জুতার আঘাত এবং ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই মধ্যে শনিবার ওই শিক্ষার্থীর বাবা বড়াইগ্রাম থানায় আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলার পর শনিবার রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, শ্লীলতাহানির অভিযোগে দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মমিনুল ইসলাম মুন।
মোবাইল ০১৭৪০৯৩৫৮৭০