পুঠিয়ায় বান্ধবীর সঙ্গে বেরিয়ে ৩ দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ, রিতুকে ঘিরে পরিবারের সন্দেহ
👉Visit to get the latest news ⏩www.deshbartabd24.com
মমিনুল ইসলাম মুন,নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী :
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার শিবপুর বাজার মাইপাড়া গ্রামের গৃহবধূ অনিকা খাতুন (১৯) বান্ধবীর সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হওয়ার তিন দিন পরও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।
এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে। নিখোঁজের ঘটনায় রিতু নামে তার এক বান্ধবীকে ঘিরে সন্দেহের কথা জানিয়েছে পরিবার।
নিখোঁজ অনিকা খাতুন পুঠিয়া উপজেলার শিবপুর বাজার মাইপাড়া গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী আল তৌফিকের স্ত্রী। তিনি রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানাধীন ডাঁশমারী এলাকার বাসিন্দা বাচ্চু মিয়ার মেয়ে। প্রায় চার বছর আগে আল তৌফিকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে অনিকা কালো বোরকা, সাদা জুতা এবং পিঠে চকলেট রঙের একটি ব্যাগ নিয়ে রিতু নামে এক বান্ধবীর সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।
পরিবার জানায়, রিতুর বাড়ি রংপুরে। তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী এবং তার স্বামী বিদেশে থাকেন। তবে তার স্থায়ী ঠিকানা বা অন্যান্য পরিচয় সম্পর্কে পরিবারের কাছে বিস্তারিত কোনো তথ্য নেই।
নিখোঁজ অনিকার বড় ভাই আজমত জানান, বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় অনিকার সঙ্গে থাকা ব্যাগে আনুমানিক আড়াই লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার এবং ১০ হাজার টাকা নগদ ছিল। তিনি দাবি করেন, অনিকার সঙ্গে তার স্বামী বা পরিবারের কারও কোনো বিরোধ ছিল না। তাদের ধারণা, রিতু কৌশলে অনিকাকে সঙ্গে নিয়ে গেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো প্রমাণ মেলেনি।
পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান না পেয়ে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে অনিকার স্বামী আল তৌফিক পুঠিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং–১৪৮৮) করেন।
পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, "নিখোঁজের ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। গৃহবধূকে উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে এবং অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, অনিকার সন্ধান পেতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন তার স্বজনরা। কেউ তার অবস্থান সম্পর্কে তথ্য জানলে নিকটস্থ থানায় অথবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক মমিনুল ইসলাম মুন।
মোবাইল ০১৭৪০৯৩৫৮৭০